For details, please contact 01796-529982, 01535-223790

Details about Programs

Computer Science & Engineering (CSE)

কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং এমন একটি ফলিতবিদ্যা যাতে তড়িৎ প্রকৌশল ও কমপিউটার বিজ্ঞানের উপাদানগুলোর সু-সমন্বয় রয়েছে। কমপিউটার প্রকৌশলীদের ইলেকট্রনিক্স প্রকৌশল, সফ্টওয়্যার ডিজাইন ও হার্ডওয়্যার-সফটওয়্যার একত্রীকরণ প্রভৃতি ক্ষেত্রে বিশেষ শিক্ষা ও দক্ষতা অর্জন করতে হয়। কমপিউটার প্রকৌশলীগণ মাইক্রোপ্রসেসর, পার্সোনাল কমপিউটার এবং সুপার কমপিউটার ডিজাইন থেকে শুরু করে সার্কিট ডিজাইনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখে।

কমপিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ফিল্ডটি মোটামোটি অনেক ক্ষেত্রকেই নিজের আয়ত্ত্ব করে নিয়েছে। যেমন- চিকিৎসা, কৃষি, যোগাযোগ, নির্মাণ, রাসায়নিক, যানবাহন, ইলেকট্রনিক্স, ক্রয়-বিক্রয়, পোষাক শিল্প ইত্যাদি।

চাকরি আছে, অথচ উপযুক্ত প্রশিক্ষিত প্রার্থী পাওয়া যায় না। বর্তমান সময়ে এমন কথা শুনলে অবাক হওয়াটাই স্বাভাবিক। এমনটাই ঘটছে কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির বাজারে।

১. বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ অথবা সমমানের গ্রেড থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে। অথবা

২. ও- লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫টি বিষয় এবং এ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে। উক্ত দু’টি পরীক্ষায় অন্যূন ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টিতে বি গ্রেড বা জিপিএ ৪.০০ এবং বাকি ৩টি বিষয়ে সি গ্রেড বা জিপিএ ৩.৫০ অবশ্যই থাকতে হবে। অথবা

৩. যেকোনো টেকনোলজি থেকে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল, ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি শিক্ষাক্রম থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও এসএসসি ও ডিপ্লোমা উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে কমপক্ষে ২.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে।

৪. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য উভয় পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৫.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

কোটবাড়ি, কুমিল্লায় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের বিশাল পরিসরের স্থায়ী ক্যাম্পাস রয়েছে। ক্রেডিট ট্রান্সফার, স্কলারশীপ, বেতন মওকুফ, মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, মেধাবী ইত্যাদির জন্য আর্থিক সুবিধা রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত বিনা পয়সায় যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।

মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রেডিট ট্রান্সফার বিষয়ক চুক্তি রয়েছে।

কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ারদের সাধারণ কার্যাবলির মধ্যে রয়েছে সাধারণ ও বিশেষ কমপিউটারের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করা, এমবেডেড মাইক্রোকন্ট্রোলারের জন্য ফার্মওয়্যার লেখা, বিভিন্ন ভিএলএসআই চিপ ডিজাইন, বিভিন্ন এনালগ সেন্সর ডিজাইন, বিভিন্ন ধরনের সার্কিট বোর্ড ডিজাইন এবং অপারেটিং সিস্টেম ডিজাইন ইত্যাদি। কমপিউটার প্রকৌশলীরা রোবোটিক্স গবেষণার জন্য উপযুক্ত, যা বিভিন্ন তড়িৎ সিস্টেম যেমন মোটর, যোগাযোগ ব্যবস্থা, সেন্সর প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণে ডিজিটাল সিস্টেমের উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল।

যেহেতু সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ার এর পরিসর বাড়ছে, তাই এর অনেক শাখা বের হয়েছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

১. প্রোগ্রামিং (Programming)

২. অ্যালগরিদম (Algorithm)

৩. ডেটা স্ট্রাকচার (Data Structure)

৪. গণিত (Mathematics)

৫. অপারেটিং সিস্টেম ও সিস্টেম প্রোগ্রামিং (Operating System and System Programming)

৬. ডেটাবেজ (Database)

৭. আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence)

৮. কম্পাইলার (Compiler)

৯. গ্রাফিক্স (Graphics)

১০. নেটওয়ার্কিং (Networking)

১১. ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেম (Distributed System)

১২. সফ্টওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং (Software Engineering)

১৩. কমপিউটার হার্ডওয়্যার (Computer Hardware)

আধুনিক বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কাজের ক্ষেত্র যে কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং-এ রয়েছে, সেটা এখন কারো অজানা নয়। কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ারং সম্পন্ন করার পর আপনাকে ২/১ বছর কষ্ট করতে হতে পারে, কারণ যেকোনো ভালো চাকরির জন্য প্রয়োজন বাস্তব অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতাটুকু হয়ে গেয়ে আপনার উন্নতি কেউ ধরে রাখতে পারবে না। কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রগুলো হলো-

  • Programming and Software Development
  • Information Systems Operation and Management
  • Telecommunications and Networking
  • Computer Science Research
  • Web and Internet
  • Computer Industry Specialists
  • Game Engine Developer
  • Mobile Application Developer
  • সরকারিভাবে দেশের সকল মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও অধিদপ্তরে কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ারদের পদ সৃজন করা হয়েছে। দেশের সকল স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল ধরনের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ার প্রয়োজন হচ্ছে।
  • শুধুমাত্র দেশে নয়, দেশের বাইরেও কমপিউটার ইঞ্জিনিয়ারদের অত্যধিক চাহিদা রয়েছে।

Electrical & Electronic Engineering (EEE)

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্সকে ইঞ্জিনিয়ারিং এর আত্মা বলা হয়। ইঞ্জিনিয়ারিং ফিল্ডের সম্মানজনক পেশাগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার। শিক্ষাক্রমটিকে সংক্ষেপে ট্রিপল ই বলে। ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থেকেই মূলত ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এর আবির্ভাব ঘটেছে। ঊনবিংশ শতাব্দির শেষ ভাগে যখন টেলিগ্রাফি ও বিদ্যুৎ শক্তির ব্যবহার জনপ্রিয় হয়ে উঠতে শুরু করে তখন থেকেই ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।

 

ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে মূলত বড়ো ধরনের বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা বা যন্ত্রপাতি যেমন- বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চালন, বৈদ্যুতিক মোটর নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি সংক্রান্ত কার্যাবলি সম্পাদনকেই বুঝানো হয়। অন্যদিকে ক্ষুদ্র আকারের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেমন- কমপিউটার, সমন্বিত বর্তনী ইত্যাদি সংক্রান্ত কার্যাবলিকে ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বলা হয়। সহজ কথায় বলা যায়, ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারগণ শক্তি সঞ্চালনের জন্য বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে ব্যবহার করেন। আর ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারগণ তথ্য আদান প্রদানে বিদ্যুৎ শক্তিকে ব্যবহার করে থাকেন।

 

শুনলে অবাক হওয়ার মতো, লক্ষ কোটি বেকারের এই দেশে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং এ দক্ষ জনবল খুঁজে পাওয়া যায় না। এমনটাই ঘটছে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির বাজারে।

১. বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ অথবা সমমানের গ্রেড থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে। অথবা

২. ও- লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫টি বিষয় এবং এ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে। উক্ত দু’টি পরীক্ষায় অন্যূন ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টিতে বি গ্রেড বা জিপিএ ৪.০০ এবং বাকি ৩টি বিষয়ে সি গ্রেড বা জিপিএ ৩.৫০ অবশ্যই থাকতে হবে। অথবা

৩. যেকোনো টেকনোলজি থেকে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল, ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি শিক্ষাক্রম থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও এসএসসি ও ডিপ্লোমা উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে কমপক্ষে ২.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে।

৪. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য উভয় পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৫.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

কোটবাড়ি, কুমিল্লায় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের বিশাল পরিসরের স্থায়ী ক্যাম্পাস রয়েছে। ক্রেডিট ট্রান্সফার, স্কলারশীপ, বেতন মওকুফ, মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, মেধাবী ইত্যাদির জন্য আর্থিক সুবিধা রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত বিনা পয়সায় যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।

মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রেডিট ট্রান্সফার বিষয়ক চুক্তি রয়েছে।

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারদের সাধারণ কার্যাবলির মধ্যে রয়েছে- বৈদ্যুতিক যন্ত্র ও উপকরণের নকশা বানানো, বৈদ্যুতিক যন্ত্র ও উপকরণ তৈরি করা, কার্যকারিতা পরীক্ষা করা, এগুলোর রক্ষণাবেক্ষণ করা এবং ত্রুটি যুক্ত বৈদ্যুতিক যন্ত্র ও উপকরণ মেরামত করা। প্রতিষ্ঠানভেদেও কাজের ধরন ভিন্নতরো হতে পারে। যেমন বিদ্যুৎ উৎপাদন বিভাগে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জেনারেটর নিয়ন্ত্রণ ও উৎপাদন পর্যবেক্ষণ করতে হয়। আবার টেলিকম কোম্পানীতে টাওয়ার পরিদর্শনের কাজ করতে হয়। এছাড়াও এই ফিল্ডের ইঞ্জিনিয়ারগণ বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস যেমন- টিভি, ফ্রিজ, মোবাইল ফোন, কমপিউটার ইত্যাদির ডিজাইন ও ডেভেলপ করে থাকে। টেলিকমিউনিকেশন, রোবোটিক্স, হার্ডওয়্যার, পাওয়ার ও বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম উৎপাদন ও উন্নয়নের কাজগুলোও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারগণ সম্পন্ন করে থাকেন।

যেহেতু সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার এর পরিসর বাড়ছে, তাই এর অনেক শাখা বের হয়েছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

 

  • পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স
  • ইলেকট্রিক্যাল মেশিন অ্যান্ড ড্রাইভস
  • এনার্জি সিস্টেমস
  • কন্ট্রোল সিস্টেমস
  • টেলিকমিউনিকেশন
  • ফিজিক্যাল ইলেকট্রনিক্স

 

আধুনিক বিশ্বে সবচেয়ে বেশি কাজের ক্ষেত্র যে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ রয়েছে, সেটা এখন কারো অজানা নয়। ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারং সম্পন্ন করার পর আপনাকে ২/১ বছর কষ্ট করতে হতে পারে, কারণ যেকোনো ভালো চাকরির জন্য প্রয়োজন বাস্তব অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতাটুকু হয়ে গেয়ে আপনার উন্নতি কেউ ধরে রাখতে পারবে না। ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রগুলো হলো-

১. সরকারি-আধাসরকারি-স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।

২. পাওয়ার জেনারেশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী।

৩. বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান যেখানে নিজস্ব সাব-স্টেশন প্রয়োজন হয়।

৪. সরকারি ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল।

৫. রেলওয়ে বিভাগ।

৬. সরকারি বেসরকারি ব্যাংক ও বীমাসমূহ।

৭.  সরকারি ও বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়, পলিটেকনিক, টিটিসি, টিএসসি ইত্যাদি।

৮. টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী।

৯. টিভি, ফ্রিজ ইত্যাদি উৎপাদনকারী কোম্পানীসমূহ ইত্যাদি।

১০. পাওয়ার প্ল্যান্ট, গ্রীড, ডিস্ট্রিবিউশন এর ক্ষেত্রে কমপিউটার সিমুলেশন সফটওয়্যার/ SCADA System দিয়ে মনিটর করা।

১১. মেইনট্যানেন্স ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে HT Panel, LT Panel, DB, SDB, ATS, PLC, Automation System এর কাজগুলো করতে হবে।

১২. টেলিকম বা আইসিটি সেক্টর  প্রি-ইন্সটলড মেশিনগুলো মনিটর করতে হবে। এক্ষেত্রে সফ্টওয়্যার ও কমপিউটারে পারদর্শী হতে হবে।

সরকারিভাবে দেশের অধিকাংশ মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও অধিদপ্তরে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারদের পদ সৃজন করা হয়েছে। শুধুমাত্র দেশে নয়, দেশের বাইরেও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারদের অত্যধিক চাহিদা রয়েছে।

Civil Engineering
(CE)

চাকরি আছে, অথচ উপযুক্ত প্রশিক্ষিত প্রার্থী পাওয়া যায় না। বর্তমান সময়ে এমন কথা শুনলে অবাক হওয়াটাই স্বাভাবিক। এমনটাই ঘটছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের চাকরির বাজারে।

পৃথিবীর প্রাচীনতম ইঞ্জিনিয়ারিং বলতে গেলে যে বিষয়টি মানুষের মাথায় খেলা করে তা হলো সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বা পুরকৌশল। একজন সাধারণ মানুষ ইঞ্জিনিয়ার বলতে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারকেই কল্পনা করে থাকেন। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং সভ্যতার শুরু থেকেই বিস্তার লাভ করে আসছে। বাংলাদেশের এমন কোনো জায়গা নেই যেখানে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের ছোঁয়া লাগেনি। সবচেয়ে পুরাতন, বড় এবং সকল প্রকৌশল জ্ঞানের সমন্বয় এই সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং।

১. বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ অথবা সমমানের গ্রেড থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে। অথবা

২. ও- লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫টি বিষয় এবং এ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে। উক্ত দু’টি পরীক্ষায় অন্যূন ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টিতে বি গ্রেড বা জিপিএ ৪.০০ এবং বাকি ৩টি বিষয়ে সি গ্রেড বা জিপিএ ৩.৫০ অবশ্যই থাকতে হবে। অথবা

৩. যেকোনো টেকনোলজি থেকে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল, ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি শিক্ষাক্রম থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও এসএসসি ও ডিপ্লোমা উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে কমপক্ষে ২.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে।

৪. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য উভয় পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৫.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

কোটবাড়ি, কুমিল্লায় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল পরিসরের স্থায়ী ক্যাম্পাস রয়েছে। ক্রেডিট ট্রান্সফার, স্কলারশীপ, বেতন মওকুফ, মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, মেধাবী ইত্যাদির জন্য আর্থিক সুবিধা রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত বিনা পয়সায় যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।

মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রেডিট ট্রান্সফার বিষয়ক চুক্তি রয়েছে।

সুউচ্চ ভবন, হাইওয়ে, ব্রীজ, পানি প্রকল্প, পাওয়ার প্ল্যান্ট, পরিবেশের সুরক্ষা ইত্যাদি পরিকল্পনা, ডিজাইন, গঠন এবং রক্ষণাবেক্ষণ করার কাজ করে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার। এরা জরিপের কাজ, প্রযুক্তিগত প্রতিবেদন এমনকি প্রকল্প ব্যবস্থাপকের কাজও করে থাকে।

 

যেহেতু সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর পরিসর বাড়ছে, তাই এর অনেক শাখা বের হয়েছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

১. মৃত্তিকা প্রকৌশল (Soil Engineering)

২. স্ট্রাকচারাল প্রকৌশল (Structural Engineering)

৩. পরিবহন প্রকৌশল (Transport Engineering)

৪.পানি সম্পদ প্রকৌশল (Water Resource Engineering)

৫. পরিবেশ প্রকৌশল (Environmental Engineering)

৬. ভূমিকম্প প্রকৌশল (Earthquake Engineering)

৭. নগর উন্নয়ন প্রকৌশল (Urban Planning Engineering)

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কাজের ক্ষেত্র যে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ রয়েছে, সেটা এখন কারো অজানা নয়। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারং সম্পন্ন করার পর আপনাকে ২/১ বছর কষ্ট করতে হতে পাওে, কারণ যেকোনো ভালো চাকরির জন্য প্রয়োজন বাস্তব অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতাটুকু হয়ে গেয়ে আপনার উন্নতি কেউ ধরে রাখতে পারবে না। সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের কাজের উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রগুলো হলো-

১. সড়ক ও জনপথ

২. স্থানীয় সরকার প্রকৌশল

৩. গৃহায়ন ও গণপূর্ত বিভাগ

৪. পানি সম্পদ বিভাগ

৫. শিক্ষা বিভাগ (বিশ্ববিদ্যালয়, পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট, টিটিসি, টিএসসি ইত্যাদি)

৬. রিয়েল এস্টেট কোম্পানী

৭. নগর/শহর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা ইত্যাদি)

৮. পরিবেশ নিয়ে কর্মরত বিভিন্ন মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানী

৯. দুর্যোগ ব্যবস্থা বিভাগ ইত্যাদি।

শুধুমাত্র দেশে নয়, দেশের বাইরেও সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদের অত্যধিক চাহিদা রয়েছে। আমেরিকার ৬ নম্বর সেরা চাকরি হচ্ছে সিভিল।

সময়ের সাথে সাথে সিভিল ইঞ্জিনিয়ার এর গুরুত্ব বাড়ছে। বর্তমানে তারা আগুন নিয়ন্ত্রণ নিয়েও কাজ করে। আগুনে যেনো ক্ষয়ক্ষতি কম হয়, সেই বিষয়ের কাজ করছে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারগণ। পুরাতন মিশরের পিরামিড বা রাস্তা নির্মাণে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারদেও ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ছিলো। পানি, বাতাস এবং মাটি পরিশোধনের বিভিন্ন উপায় নিয়েও তারা সজাগ।

Business Administration (BBA)

ব্যবসায়িক সম্পর্ক কিভাবে আরও উন্নত করা যায়, কেমন করে ব্যবসা পরিচালিত হয়, কিভাবে একটি নতুন ব্যবসা শুরু করা যায় ইত্যাদি বিষয় থেকে শুরু করে কর্পোরেট জগতের খুটিনাটি বিষয়াদি জানার জন্যেই বিজনেস ম্যানেজমেন্ট। ব্যবসায় শিক্ষার বিভিন্ন বিভাগ যেমন বিপণন, হিসাব রক্ষণ, অর্থনীতি, মূদ্রস্ফীতি, বিনিয়োগের আর্থিক সংস্থান, সাপ্লাই চেইন, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে একজন শিক্ষার্থীর স্পষ্ট ধারণা জন্মায়। অংশীদারদের সঙ্গে কিভাবে কাজ করতে হয়, সাপ্লাই চেইনের মাধ্যমে কিভাবে পণ্য সরবরাহ করা হয়, বিজনেস ম্যানেজমেন্টের একজন শিক্ষার্থীকে এসবই জানতে হয়।

১. যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ অথবা সমমানের গ্রেড থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে। অথবা

২. ও- লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫টি বিষয় এবং এ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে। উক্ত দু’টি পরীক্ষায় অন্যূন ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টিতে বি গ্রেড বা জিপিএ ৪.০০ এবং বাকি ৩টি বিষয়ে সি গ্রেড বা জিপিএ ৩.৫০ অবশ্যই থাকতে হবে। অথবা

৩. ডিপ্লোমা পর্যায়ের যেকোনো শিক্ষাক্রম থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও এসএসসি ও ডিপ্লোমা উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে কমপক্ষে ২.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে।

৪. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য উভয় পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৫.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

কোটবাড়ি, কুমিল্লায় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের বিশাল পরিসরের স্থায়ী ক্যাম্পাস রয়েছে। ক্রেডিট ট্রান্সফার, স্কলারশীপ, বেতন মওকুফ, মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, মেধাবী ইত্যাদির জন্য আর্থিক সুবিধা রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত বিনা পয়সায় যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।

মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রেডিট ট্রান্সফার বিষয়ক চুক্তি রয়েছে।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে তথ্য ও উপাত্তভিত্তিক বিষয়ে কাজ করছে। বিজনেস ম্যানমেন্টে বিশেষ কওে বিপণন বিভাগে তথ্য ও উপাত্তকেন্দ্রিক বিষয়গুলো নিয়েই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। যেমন আর্থিক উপাত্তগুলো বর্ণনা করা এবং তা থেকে কিভাবে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেয়া যায়। যেকোনো ধরনের প্রতিষ্ঠান এমন কর্মীই নির্বাচন করতে চায়, যেনো তারা নির্দিষ্ট কাজের বাইরেও সম্পূর্ণ ব্যবসা কিভাবে পরিচালনা করলে ফলপ্রসু হবে, ষ্পষ্ট ধারণা রাখেন। বিজনেস ম্যানেজমেন্টে কৃত্তিম বৃদ্ধিমত্তা নিয়ে কিভাবে কাজ করা যায় এবং বিশ্লেষণ করতে হয়, তা শেখানো হয়, যা বর্তমান চাকরির বাজারে বেশ চাহিদাসম্পন্ন একটি বিষয়। চাকরি করা ছাড়াও নিজের ব্যবসা শুরু করা বা উদ্যোক্তা হিসেবেও কাজ করা যায়। সেক্ষেত্রে নিজের জ্ঞান দিয়ে নিজেই নিজের ব্যবসায়ের লাভ ক্ষতি, মানবসম্পদ কাজে লাগানো, আর্থিক সংস্থানের বিষয়গুলো দক্ষতার সাথে পরিচালনা করা যায়। চাকরির ক্ষেত্রে আর্থিক ও অনার্থিক ক্ষেত্রে জাতীয় এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন বিভাগে কাজ করা সম্ভব।

যেকোনো শাখার শিক্ষার্থীরাই বিজনেস ম্যানেজমেন্ট পড়তে পারেন। তবে বর্তমানের পারিপাশির্^ক অবস্থা বিবেচনায় চাকরিপ্রার্থীর চেয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার মানষিকতা যাদের রয়েছে, তারাই বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শিক্ষায় এগিয়ে আসতে পারেন। এছাড়াও যারা চাকরি বা কাজের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ বা ঝুঁকি নেয়ায় আগ্রহী এবং সৃজনশীল কাজে এগিয়ে আসতে চান, তারাও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট বিষয়টি বিবেচনায় আনতে পারেন।

কাজের পরিসর

যেহেতু সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শিক্ষার পরিসর বাড়ছে, তাই এর অনেক শাখা বের হয়েছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

  • একাউন্টিং
  • ফিন্যান্স
  • ব্যাংকিং
  • মার্কেটিং
  • হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এইচআরএম)
  • সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট
  • অপারেশন ম্যানেজমেন্ট
  • ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস)
  • ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস
  • ই-বিজনেস
  • এন্ট্রিপ্রিনিউরশীপ ইত্যাদি

বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শিক্ষার্থীদের কাজের ক্ষেত্রের যে কোনো কমতি হবে না, তা বলা বাহুল্য। তবে কোন ধরনের কাজের নিজের আগ্রহ রয়েছে, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এগুতে হবে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিলাসবহুল বা অভিজাত পণ্য ও সেবা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়াও বিভিন্ন এনজিও বা কৃষি এবং কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ের কাজ বা বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করাও একজন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শিক্ষার্থীর জন্য সহজ।

 

কাজের ক্ষেত্র

বিজনেস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করার পর আপনাকে ২/১ বছর কষ্ট করতে হতে পারে, কারণ যেকোনো ভালো চাকরির জন্য প্রয়োজন বাস্তব অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতাটুকু হয়ে গেয়ে আপনার উন্নতি কেউ ধরে রাখতে পারবে না। বিজনেস ম্যানেজমেন্ট গ্র্যাজুয়েটদের কাজের উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রগুলো হলো-

 

১. সরকারি-আধাসরকারি-স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।

২.  বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বীমা ইত্যাদি)

৩.  বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান।

৪.  সরকারি ও বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

৫. ঔষধ শিল্প

৬. টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী

৭.  বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি।

Law
(LLB)

নামের আগে বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, অধ্যাপক (আইন), ব্যারিস্টার, অ্যাডভোকেট পদবীগুলো দেখতে কার না ভালো লাগে। পদবীগুলো যতোটা আকর্ষণীয়, এগুলো অর্জন করা ততোটা সাধনার ব্যাপার। বর্তমান তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রমের র্শীষে উঠে এসেছে আইন বিষয়ে পড়ালেখা। যেকোনো ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীর আইন বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে।

১. যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ অথবা সমমানের গ্রেড থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে। অথবা

২. ও- লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫টি বিষয় এবং এ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে। উক্ত দু’টি পরীক্ষায় অন্যূন ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টিতে বি গ্রেড বা জিপিএ ৪.০০ এবং বাকি ৩টি বিষয়ে সি গ্রেড বা জিপিএ ৩.৫০ অবশ্যই থাকতে হবে। অথবা

৩. ডিপ্লোমা পর্যায়ের যেকোনো শিক্ষাক্রম থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও এসএসসি ও ডিপ্লোমা উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে কমপক্ষে ২.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে।

৪. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য উভয় পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৫.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

কোটবাড়ি, কুমিল্লায় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের বিশাল পরিসরের স্থায়ী ক্যাম্পাস রয়েছে। ক্রেডিট ট্রান্সফার, স্কলারশীপ, বেতন মওকুফ, মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, মেধাবী ইত্যাদির জন্য আর্থিক সুবিধা রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত বিনা পয়সায় যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।

মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রেডিট ট্রান্সফার বিষয়ক চুক্তি রয়েছে।

পড়াশোনা শেষে আইন পেশায় নিয়োজিত হওয়ার জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট সনদ পরীক্ষায় পাশ করতে হয়।

  • কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে (যেখানে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আইন বিষয়ে পড়ানোর অনুমতি রয়েছে) কমপক্ষে ৪ বছর মেয়াদী স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
  • বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
  • বার কাউন্সিলের সদস্যপদ লাভের মাধ্যমেই দেশের একজন আইনজীবির মর্যাদা লাভ করবে।

বলাই বাহুল্য, আইন পেশায় যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন মাত্রা ও সম্ভাবনা। বিসিএস ও অন্য যেকোনো ক্যাডারের চাকরি, ব্যাংক, স্বায়ত্বশাসিত ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে আইনের ছাত্রদেরও অন্য ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের মতো সমান সুযোগ রয়েছে। তবে বিশেষ কিছু পেশা রয়েছে, যেখানে শুধু আইনের ছাত্ররাই কাজ করতে পারবেন, অন্যরা নয়। আইনজীবি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি- আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা, মানবাধিকার সংস্থা, বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, বহুজাতিক কোম্পানী ও এনজিওতে আইন কর্মকর্তা বা প্যানেল আইনজীবি হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আদালতে যোগ দেয়ার সুযোগ যেমন রয়েছে, তেমনি সরকারি বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়, আইন কলেজ ইত্যাদিতে শিক্ষকতার সুযোগ রয়েছে।

 

আইন বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করার পর আপনাকে ২/১ বছর কষ্ট করতে হতে পারে, কারণ যেকোনো ভালো চাকরির জন্য প্রয়োজন বাস্তব অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতাটুকু হয়ে গেয়ে আপনার উন্নতি কেউ ধরে রাখতে পারবে না। আইন বিষয়ে গ্র্যাজুয়েটদের কাজের উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রগুলো হলো-

 

১.            আদালতে সুষ্ঠু বিচারকাজে সহযোগিতা করা।

২.           সরকারি-আধাসরকারি-স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে আইন কর্মকর্তা/প্যানেল আইনজীবি।

৩.          বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বীমা ইত্যাদি)

৪.           বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান।

৫.           সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন আইন কলেজে।

৬.          বহুজাতিক কোম্পানী

৭.           আন্তর্জাতিক সংস্থা, মানবাধিকার সংস্থা

৮.          বিভিন্ন দেশের দূতাবাসসমূহ ইত্যাদি।

 

বাংলাদেশে তেমন প্রচলন না থাকলেও সাইবার ক্রাইম, ইমিগ্রেশন, স্পোর্টস ও মিডিয়া আইনজীবি হলে দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও কাজের অবারিত সুযোগ রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের ফলে সাইবার বিষয়ে নানাধরনের আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। আর মিডিয়া, মিডিয়াকর্মী বা সেলিব্রেটিদের বিভিন্ন আইনি জটিলতার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞদের কদর বাংলাদেশেও তৈরি হচ্ছে।

Mathematics
(Hon`s)

ছোটবেলায় প্রায় সবারই ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, কৃষিবিদ ইত্যাদি হওয়ার আকাঙ্খা থাকে। কলেজের পর ভর্তি কোচিংও করে সেভাবেই। কিন্তু বিধি বাম বা দূর্ভাগ্য, যা-ই বলি না কেনো, ভর্তি পরীক্ষায় অনিচ্ছাকৃত চান্স, গণিত বিভাগ। মনে হয়, রাজ্যের হতাশা এসে জড়ো হয়। অনেকে আবার বিভাগ পরিবর্তন করার জন্য ১ বা ২ বছর লস দিতেও কার্পণ্য করে না। অথচ অনেকে হয়তো এ কথাটি জানে না যে, উন্নত দেশগুলোতে সবচেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীরাই গণিত বিষয়টি পছন্দের শীর্ষে রাখেন। অনেকে হয়তো মনে করেন, সেসব দেশে ভালো চাকরি পাওয়া যায়, আমাদের দেশে পাওয়া যায় না। ধারণাটি সম্পুর্ণ ভুল।

 

বিজ্ঞানের সূত্রগুলোকে গণিতের সাহায্যে প্রকাশ করে, গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন সম্ভব হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বাস্তব সমস্যাগুলো গাণিতিক সমীকরণ দিয়ে সমাধান করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই বিশে^ও প্রায় সব বিশ^বিদ্যালয়ে গণিত বিভাগ রয়েছে। যেমনটি রয়েছে সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ে। বিজ্ঞান, প্রকৌশল, জীববিজ্ঞান, বাণিজ্য অনুষদসহ অনেক অনুষদের শিক্ষার্থীদেরকেই গণিত বিভাগের অধীন সম্পুরক কোর্স পড়তে হয়।

 

বীজগণিত, জ্যামিতি, ক্যালকুলাস, গাণিতিক বিশ্লেষণ, রৈখিক বীজগণিত, সংখ্যাতত্ত্ব, অন্তরীকরণ সমীকরণ ইত্যাদি ¯œাতক পর্যায়ের প্রাথমিক কোর্স হিসেবে বিবেচিত হয়। সম্পুরক বিষয় হিসেবে থাকে পরিসংখ্যান, পদার্থবিজ্ঞান, কমপিউটার বিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়গুলোসহ সি প্লাস প্লাস, ম্যাটল্যাটসহ বেশ কিছু প্রোগ্রামিং ভাষাও রয়েছে।

 

অ্যালগরিদমের মাধ্যমে সমীকরণ সমাধান, গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিচ্যুতির নিয়ন্ত্রণ, কমপিউটার প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে মান নির্ণয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন শাখার সমস্যাগুলোকে অন্তরীকরণ সমীকরণের মাধ্যমে প্রকাশ এবং সমাধান করা হয়। বিভিন্ন বিষয়ে অত্যানুকুল ফলাফল নির্ণয়ের জন্য রৈখিক প্রোগ্রামিং, অ্যাবস্ট্রাক্ট অ্যালজেবরা, গ্রুপতত্ত্ব ইত্যাদির সান্নিধ্যেও শিক্ষার্থীদেরকে থাকতে হয়।

 

উাংশনাল অ্যানালাইসিস, মহাকাশ বিজ্ঞানের গাণিতিক বিশ্লেষণের জন্য পদ্ধতি হিসেবে অন্তরীকরণ জ্যামিতি ও টেনসর বিশ্লেষণ, প্রকৌশল, জীববিজ্ঞান, প্রবাহ বলবিদ্যা ইত্যাদি বিষয়সমূহও সিলেবাসে অন্তর্ভূক্ত থাকে। শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের গবেষণায় নিজেকে সম্পৃক্ত করার জন্যে গবেষণামূলক প্রতিবেদন বা থিসিস তৈরি করতে হয়।

১. বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ অথবা সমমানের গ্রেড থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে। অথবা

২. ও- লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫টি বিষয় এবং এ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে। উক্ত দু’টি পরীক্ষায় অন্যূন ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টিতে বি গ্রেড বা জিপিএ ৪.০০ এবং বাকি ৩টি বিষয়ে সি গ্রেড বা জিপিএ ৩.৫০ অবশ্যই থাকতে হবে। অথবা

৩. যেকোনো টেকনোলজি থেকে ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল, ডিপ্লোমা-ইন-এগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা ইন ফরেস্ট্রি শিক্ষাক্রম থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও এসএসসি ও ডিপ্লোমা উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে কমপক্ষে ২.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে।

৪. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য উভয় পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৫.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

কোটবাড়ি, কুমিল্লায় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল পরিসরের স্থায়ী ক্যাম্পাস রয়েছে। ক্রেডিট ট্রান্সফার, স্কলারশীপ, বেতন মওকুফ, মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, মেধাবী ইত্যাদির জন্য আর্থিক সুবিধা রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত বিনা পয়সায় যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।

মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রেডিট ট্রান্সফার বিষয়ক চুক্তি রয়েছে।

গণিত বিষয়ে পড়াশুনা করে পড়ে প্রতি বছর একটা বড় সংখ্যার শিক্ষার্থী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিশ^বিদ্যালয় পর্যন্ত সকল ধরনের প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। প্রতিবার বিসিএস পরীক্ষার কঠিন ধাপগুলো সফলভাবে পার হয়ে বিভিন্ন ক্যাডারে চাকরি পাওয়াদের একটা বড়ো অংশ আসে বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ের গণিত বিভাগ থেকে। ব্যাংকসহ অন্যান্য সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়ার সুযোগও থাকে প্রচুর। পত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশন, বিজ্ঞাপনী সংস্থা বা বিপণন প্রতিষ্ঠানেও রয়েছে ইংরেজি পড়ুয়া স্নাতকদের আলাদা কদর। এছাড়া অনলাইন ভিত্তিক ফ্রিল্যান্স কাজ বা অনুবাদেও আজকাল এই বিষয়ে শিক্ষিতরা সফল পেশাজীবন গড়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

চতুর্থ শিল্পবিল্পব তথা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কারণে ভবিষ্যতে মানুষ তাদের চাকরি হারাবে কিনা, এটি বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়। তবে ভবিষ্যৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে গণিতের গুরুত্ব কোনো অংশে কমবে না। কারণ, এই যুগের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপিত হবে গণিতের ভাষার ওপর নির্ভর করেই। হয়তো কিছু ক্ষেত্রে রোবটের ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে, কিন্তু মানুষের গণিত ব্যবহার কোনোভাবেই কম হবে না।

English
(Hon`s)

ইংরেজরা আজ থেকে এক হাজার বছর আগে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে। কিন্তু অবাক করা ব্যাপার হলো, তারা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ইংরেজি পড়া বা পড়ানো শুরু করে মাত্র দেড় শ বছর আগে। কয়েক শতাব্দী ধরে ইংরেজিকে একধরনের ‘পড়ানোর অযোগ্য’ বিষয় বলে গণ্য করা হতো। ইউরোপ থেকে আমাদের এই ভূখন্ডে ইংরেজি বিভাগ আসতে খুব একটা বেশি সময় নেয়নি। মাত্র বছর পঞ্চাশেক পরেই ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চালু হয় হাতে গোনা কয়েকটি বিভাগ নিয়ে। সেগুলোর মধ্যে ইংরেজি অন্যতম।

 

খুব দ্রুত বিখ্যাত ও জনপ্রিয় হয়ে দেশব্যাপি ছড়িয়ে পড়ে এই বিভাগ। বর্তমানে দেশের প্রায় সকল পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং শহর ও গ্রামে স্নাতক পর্যায়ের নতুন-পুরনো প্রায় সব কলেজেই ইংরেজি বিভাগ চালু রয়েছে। প্রতি বছর এই বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নিয়ে বের হচ্ছেন হাজার হাজার শিক্ষার্থী। একটু খুঁজলেই দেশের বড়, মাঝারি, ছোট সব ধরন্রে প্রতিষ্ঠানেই ইংরেজি পড়া কাউকে না কাউকে কর্মরত পাওয়া যাবে।

১. যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ অথবা সমমানের গ্রেড থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে। অথবা

২. ও- লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫টি বিষয় এবং এ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে। উক্ত দু’টি পরীক্ষায় অন্যূন ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টিতে বি গ্রেড বা জিপিএ ৪.০০ এবং বাকি ৩টি বিষয়ে সি গ্রেড বা জিপিএ ৩.৫০ অবশ্যই থাকতে হবে। অথবা

৩. ডিপ্লোমা পর্যায়ের যেকোনো শিক্ষাক্রম থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও এসএসসি ও ডিপ্লোমা উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে কমপক্ষে ২.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে।

৪. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য উভয় পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৫.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

কোটবাড়ি, কুমিল্লায় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের বিশাল পরিসরের স্থায়ী ক্যাম্পাস রয়েছে। ক্রেডিট ট্রান্সফার, স্কলারশীপ, বেতন মওকুফ, মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, মেধাবী ইত্যাদির জন্য আর্থিক সুবিধা রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত বিনা পয়সায় যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।

মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রেডিট ট্রান্সফার বিষয়ক চুক্তি রয়েছে।

শিক্ষাজীবনের একদম শুরু থেকেই এই দেশে সবাইকে ইংরেজি পড়তে হয়। ভিনদেশি ভাষা হলেও, ইংরেজি না জেনে কোনো ডিগ্রি বা ভালো চাকরি পাওয়া এখন একেবারেই অসম্ভব। তাই মানুষ ইংরেজি বিভাগগুলোকে, ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়, বেশ সমীহ করে। বিভাগ হিসেবে যুগ যুগ ধরে ইংরেজি তার গুরুত্ব, জনপ্রিয়তা ও সামাজিক অবস্থান ধরে রেখেছে। কিন্তু সারাদেশে এই বিভাগগুলোতে ঠিক কি পড়ানো হয়, কেমন করে পড়ানো হয়- এই সব নিয়ে সাধারণ মানুষের অনেকের মধ্যেই ভুল ধারণা বা ধোঁয়াশা রয়েছে। কেউ কেউ ইংরেজি ভাষা শেখানোর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা কোচিং সেন্টারের সঙ্গে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগকে গুলিয়ে ফেলেন। মনে করেন, এখানে ব্যাকরণ ও ইংরেজি পড়া, বলা বা লেখা শেখানো হয়। আদতে এসব শেখানো ইংরেজি বিভাগের কাজ নয়, কখনোই ছিলো না।

ইংরেজি বিভাগে স্নাতক পর্যায়ে মূলত ইংরেজি ভাষায় রচিত কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক ও ভাষাবিদ্যা পড়ানো হয়। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এসবের পাশাপাশি সাহিত্যতত্ত্ব ও ইংরেজি ভাষা শেখানোর তত্ত্ব, নীতি ও পদ্ধতির উপর জোড় দেয়া হয়। হাল আমলে অবশ্য ইংরেজির নিজস্ব জগতের বাইরেও বাংলা সাহিত্যেও পরিচিতি, ইতিহাস, দর্শন, নৃবিজ্ঞান, সংস্কৃতি অধ্যয়ন, লৈঙ্গিক রাজনীতি, মিডিয়া ও চলচ্চিত্রসহ নানাহ বিচিত্র বিষয় এই বিভাগের সিলেবাসের অংশ।

শুরু থেকে আজ পর্যন্ত বাংলাদেশে ‘ইংরেজিতে অনার্স’ বা ‘ইংরেজিতে মাস্টার্স’ কথাগুলো বেশ সমীহের সাথে উচ্চারণ করা হয়। ইংরেজি বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করলে তাই চাকরির বাজারেও বিশেষ গুরুত্ব পাওয়া যায়। সবচেয়ে বড়ো ব্যাপার হলো, এই বিভাগে পড়ে ঠিক কত ধরনের ক্যারিয়ার গঠন করা যায় তার হিসাব কষা মুসকিল।

ইংরেজি পড়ে প্রতি বছর একটা বড় সংখ্যার শিক্ষার্থী স্নাতক স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। প্রতিবার বিসিএস পরীক্ষার কঠিন ধাপগুলো সফলভাবে পার হয়ে বিভিন্ন ক্যাডারে চাকরি পাওয়াদের একটা বড়ো অংশ আসে বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে। ব্যাংকসহ অন্যান্য সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়ার সুযোগও থাকে প্রচুর। পত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশন, বিজ্ঞাপনী সংস্থা বা বিপণন প্রতিষ্ঠানেও রয়েছে ইংরেজি পড়া স্নাতকদের আলাদা কদর। এছাড়া অনলাইন ভিত্তিক ফ্রিল্যান্স কাজ বা অনুবাদেও আজকাল এই বিষয়ে শিক্ষিতরা সফল পেশাজীবন গড়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।

শত বছরেরও অধিক বয়সী এই বিভাগের অতীতের মতো ভবিষ্যৎও বেশ উজ্জ্বল। কালের পরিক্রমায় অনেক বিষয় তাদের কদর ও জৌলুশ হারালেও ইংরেজি রয়ে গেছে স্বমহিমায়। এক সময় ‘পড়ার অযোগ্য’ বলে বিবেচিত হলেও নিকট ভবিষ্যতে এই বিষয়ে পড়ার আগ্রহ ও গুরুত্ব কমার তেমন কোনো আভাস পাওয়া যাচ্ছে না। তবে কালের পরিক্রমায় এর ধরন ও স্বভাব অনেক বদলে গেছে। হয়তো টিকে থাকার জন্যই, যুগের চাহিদা অনুযায়ী ইংরেজি বিভাগ তার পড়ার বিষয়বস্তু ও পড়ানোর ঢঙে অনেক পরিবর্তন এনেছে। নতুন, বিচিত্র অনেক কিছু ঢুকে যাচ্ছে এর সিলেবাসে। তাই শেক্সপিয়ার, জন মিল্টন, জেন অস্টিন, বায়রণদের দাপট ক্রমেই কমছে, আর গুরুত্ব বাড়ছে নোয়াম চমস্কি, মিশেল ফুকো, এডয়ার্ড সাইদ আর গায়ত্রী স্পিভাকদের।

Bangla
(Hon`s)

আপনি যদি একটি সেমিস্টারে ১৬টি কাব্যগ্রন্থ, ১৬টি উপন্যাস, ১৬টি গল্পগ্রন্থ, ১৬টি নাটক পড়ার ইতিহাস গড়তে চান, তাহলে বাংলা বিভাগ আপনাকে হাতছানি দিচ্ছে। এই বিভাগের শিক্ষার্থীরা এতোটাই ব্যস্ততার মধ্যে থাকতে হয় যে, কবে সেমিস্টার ফাইনাল আর কবে ইয়ার ফাইনাল চলে এসেছে তা বুঝতেই পারা যায় না। যারা সাহিত্য ভালোবাসেন এবং এর আদি রস, অন্ত: রস, শৃঙ্ঘার রস (আরো যে যে রস আছে) উপভোগ করতে চান, তাহলে বাংলা বিভাগ আপনাকে সেটা দিতে পারবে। আপনি সাহিত্যের রস উপভোগের পাশাপাশি সমাজ, সমাজের নানা জাতি, বর্ণ, ধর্মের বিচিত্র মানুষের চিন্তা ভাবনা, তাদের মনস্তত্ত¦, আচার আচরণ এবং দর্শনের সাক্ষাত লাভ করবেন। সারাবছর এত্তো এত্তো টেক্সট বই, নোট শীট কালেকশনে ব্যস্ত হয়ে থাকবেন যে, মাঝে মধ্যে প্রিয়জনকে ফোন করার কথাও ভুলে যেতে পারেন। তবে এই বিভাগের শিক্ষকদের সাথে আপনি বন্ধুর মতো মিশে যেতে পারেন। কারণ সাহিত্যের শিক্ষকদের কখনো বয়স বাড়ে না। তাই আপনি যেকোনো বিষয় খোলামনে আলোচনা করতে পারবেন। অর্থাৎ শিক্ষকদের মধ্যে কোনো জেনারেশন গ্যাপ নেই। যা হোক আপনি যদি সংস্কৃতির সাথে অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক রাখতে চান তাহলে বাংলা বিভাগে পড়ে নিজেকে প্রমাণ করার অনেক সুযোগ পাবেন।

বাংলা ভাষার সমৃদ্ধ ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং সাহিত্য ভান্ডার সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে জানতে হলে অবশ্যই বাংলায় অনার্স করতে হবে। তাছাড়া নিজের দেশ ও ভাষার প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান স্বরূপও এই কোর্সটি বেছে নেয়া যায়। এই কোর্সটি সম্পন্ন করতে পারলে ভবিষ্যতে একটি উজ্জ্বল কর্মজীবন শুরু করা যেতে পারে। অন্যান্য সাবজেক্টের তুলনায় বাংলায় অনার্স করা তুলনামূলকভাবে সহজ।

বাংলা বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা। বাংলাদেশকে শক্তিমান, সমৃদ্ধ, প্রগতিশীল রাষ্ট্ররূপে গড়ে তোলার জন্য, বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে বাংলা ভাষা, বাংলা সাহিত্য এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দেয়ার জন্য এ বিষয়ে বহু বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন। এই বিবেচনা থেকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বাংলা ভাষা এবং সাহিত্যের প্রসারের লক্ষ্যে সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে জন্মলগ্ন থেকেই বাংলা বিষয়ে অনার্স প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে।

১. যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ অথবা সমমানের গ্রেড থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে। অথবা

২. ও- লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫টি বিষয় এবং এ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে। উক্ত দু’টি পরীক্ষায় অন্যূন ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টিতে বি গ্রেড বা জিপিএ ৪.০০ এবং বাকি ৩টি বিষয়ে সি গ্রেড বা জিপিএ ৩.৫০ অবশ্যই থাকতে হবে। অথবা

৩. ডিপ্লোমা পর্যায়ের যেকোনো শিক্ষাক্রম থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও এসএসসি ও ডিপ্লোমা উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে কমপক্ষে ২.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে।

৪. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য উভয় পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৫.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

কোটবাড়ি, কুমিল্লায় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের বিশাল পরিসরের স্থায়ী ক্যাম্পাস রয়েছে। ক্রেডিট ট্রান্সফার, স্কলারশীপ, বেতন মওকুফ, মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, মেধাবী ইত্যাদির জন্য আর্থিক সুবিধা রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত বিনা পয়সায় যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।

কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অন্যতম নান্দনিক একটি বিষয় বাংলা। হাসি, আনন্দ গানের অনাবিল আনন্দদানের অন্যতম একটি বিষয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্য। নানা উৎসবে আনন্দে মাতিয়ে রাখে শিক্ষার্থীদের। বিশেষ করে নবীন বরণ, বার্ষিক বনভোজন, পহেলা বৈশাখ উদযাপন, ইফতার আড্ডা বিভিন্ন বিষয়ে সেমিনার ইত্যাদি।

অনেকে মনে করেন, বাংলার পড়া মানেই ব্যাকরণে ভরপুর। কঠিন! কিন্তু তা নয়, বাংলা মূলত সাহিত্যনির্ভর পড়ালেখা। ছোট গল্প, উপন্যাস, নাটক, কবিতা ও প্রবন্ধ, বাংলাদেশের ইতিহাস, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ইত্যাদিতে শিক্ষার্থীদেরকে সিদ্ধহস্ত হতে হয়। এছাড়াও সাংবাদিকতা, সমাজতত্ত্ব ও দর্শন, রাজনীতি বিজ্ঞান, নাট্যকলা ইত্যাদি বিষয়েও শিক্ষার্থীরা পারদর্শী হয়ে উঠে।

  • বাংলা বিভাগ থেকে পাশকৃত শিক্ষার্থীদের চাকরির ক্ষেত্র বিশাল। বাংলা এমন একটি বিষয় যা দেশের প্রায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নের বিষয়। সুতরাং যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যোগ দেয়ার সুযোগ থাকছে।

     

    (ক) বিসিএস: বিসিএসে বাংলার উপর যেসব প্রশ্ন হয় তার প্রায় সবই বাংলা বিভাগের অনার্স মাস্টার্সের সিলেবাস থেকে। বিসিএস দিয়ে যেকোনো সেক্টরে যাওয়া যায়। এছাড়া বিসিএসে শিক্ষা বিভাগতো রয়েছেই।

    (খ) সাধারণ চাকরি: সাংবাদিকতা, যেকোনো ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা শিল্প ইত্যাদিতে চাকরির সুযোগ রয়েছে।

    (গ) শিক্ষকতা: বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির অবারিত সুযোগ থাকছে। এছাড়াও সরকারি, বেসরকারি, এমপিওভূক্ত স্কুল ও কলেজে শিক্ষকতা করার সুযোগতো রয়েছেই।

Economics
(Hon`s)

একটি জাতির অর্থনীতির কারিগর অর্থনীতিবিদরা। নামের আগে ‘অর্থনীতিবিদ’পদবী দেখতে কার না ভালো লাগে? শুধু পদবী নয়। অর্থনীতির ছাত্রদের সামনে রয়েছে বিশ^ব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি’র মতো বিশ^ অর্থনৈতিক সংস্থায় কাজ করার সুবর্ণ সুযোগ। এছাড়া অর্থনীতিতে বিশেষ অবদান রাখেন, এমন ব্যক্তিদের প্রতিবছর নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়। একটি জাতির অর্থনীতির কারিগর অর্থনীতিবিদ। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী দেশের উন্নয়ন হয়ে থাকে। তাই একজন অর্থনীতিবিদেও সরাসরি দেশের উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। এসব কারণে বর্তমান তরুণ প্রজন্মের প্রথম পছন্দ অর্থনীতি। এই বিষয়ে পড়ালেখা করে নিজেদেরকে দেশের জন্য নেতৃত্ব দেয়ার উপযোগী কওে গড়ে তুলতে চাচ্ছে তরুণরা। এছাড়াও আয়, কাজের সুযোগ ও সামাজিক মর্যাদার কারণে বর্তমান তরুণ প্রজন্মেও প্রথম পছন্দ অর্থনীতিবিদ হিসেবে ক্যারিয়ার গড়ার।

বিজ্ঞানের সূত্রগুলোকে গণিতের সাহায্যে প্রকাশ করে, গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক উদ্ভাবন সম্ভব হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বাস্তব সমস্যাগুলো গাণিতিক সমীকরণ দিয়ে সমাধান করা হয়। স্বাভাবিকভাবেই বিশে^ও প্রায় সব বিশ^বিদ্যালয়ে গণিত বিভাগ রয়েছে। যেমনটি রয়েছে সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ে। বিজ্ঞান, প্রকৌশল, জীববিজ্ঞান, বাণিজ্য অনুষদসহ অনেক অনুষদের শিক্ষার্থীদেরকেই গণিত বিভাগের অধীন সম্পুরক কোর্স পড়তে হয়।

বীজগণিত, জ্যামিতি, ক্যালকুলাস, গাণিতিক বিশ্লেষণ, রৈখিক বীজগণিত, সংখ্যাতত্ত্ব, অন্তরীকরণ সমীকরণ ইত্যাদি ¯œাতক পর্যায়ের প্রাথমিক কোর্স হিসেবে বিবেচিত হয়। সম্পুরক বিষয় হিসেবে থাকে পরিসংখ্যান, পদার্থবিজ্ঞান, কমপিউটার বিজ্ঞানের মৌলিক বিষয়গুলোসহ সি প্লাস প্লাস, ম্যাটল্যাটসহ বেশ কিছু প্রোগ্রামিং ভাষাও রয়েছে।

অ্যালগরিদমের মাধ্যমে সমীকরণ সমাধান, গাণিতিক বিশ্লেষণের মাধ্যমে বিচ্যুতির নিয়ন্ত্রণ, কমপিউটার প্রোগ্রামিং এর মাধ্যমে মান নির্ণয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন শাখার সমস্যাগুলোকে অন্তরীকরণ সমীকরণের মাধ্যমে প্রকাশ এবং সমাধান করা হয়। বিভিন্ন বিষয়ে অত্যানুকুল ফলাফল নির্ণয়ের জন্য রৈখিক প্রোগ্রামিং, অ্যাবস্ট্রাক্ট অ্যালজেবরা, গ্রুপতত্ত্ব ইত্যাদির সান্নিধ্যেও শিক্ষার্থীদেরকে থাকতে হয়।

উাংশনাল অ্যানালাইসিস, মহাকাশ বিজ্ঞানের গাণিতিক বিশ্লেষণের জন্য পদ্ধতি হিসেবে অন্তরীকরণ জ্যামিতি ও টেনসর বিশ্লেষণ, প্রকৌশল, জীববিজ্ঞান, প্রবাহ বলবিদ্যা ইত্যাদি বিষয়সমূহও সিলেবাসে অন্তর্ভূক্ত থাকে। শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক মানের গবেষণায় নিজেকে সম্পৃক্ত করার জন্যে গবেষণামূলক প্রতিবেদন বা থিসিস তৈরি করতে হয়।

১. যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ অথবা সমমানের গ্রেড থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে। অথবা

২. ও- লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ৫টি বিষয় এবং এ লেভেল পরীক্ষায় ন্যূনতম ২টি বিষয় অবশ্যই থাকতে হবে। উক্ত দু’টি পরীক্ষায় অন্যূন ৭টি বিষয়ের মধ্যে ৪টিতে বি গ্রেড বা জিপিএ ৪.০০ এবং বাকি ৩টি বিষয়ে সি গ্রেড বা জিপিএ ৩.৫০ অবশ্যই থাকতে হবে। অথবা

৩. ডিপ্লোমা পর্যায়ের যেকোনো শিক্ষাক্রম থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও এসএসসি ও ডিপ্লোমা উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে কমপক্ষে ২.৫০ জিপিএ থাকতে হবে। তবে কোনো একটি পরীক্ষায় ন্যূনতম জিপিএ ২.৫০ এর নিচে থাকলে উভয় পরীক্ষায় অবশ্যই মোট জিপিএ অন্যুন ৬.০০ থাকতে হবে।

৪. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য উভয় পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৫.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

কোটবাড়ি, কুমিল্লায় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশাল পরিসরের স্থায়ী ক্যাম্পাস রয়েছে। ক্রেডিট ট্রান্সফার, স্কলারশীপ, বেতন মওকুফ, মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, মেধাবী ইত্যাদির জন্য আর্থিক সুবিধা রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত বিনা পয়সায় যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।

মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রেডিট ট্রান্সফার বিষয়ক চুক্তি রয়েছে।

আমাদের জীবনে প্রায় সকল ক্ষেত্রে অর্থনীতির ব্যবহার রয়েছে। বিষয়টি একজন শিক্ষার্থীকে যুক্তিসংগত সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। অর্থনীতি বিষয়ক জ্ঞান প্রয়োগ কওে যেকোনো সিদ্ধান্ত আরো ভালোভাবে নেয়া যায়। পড়ালেখাটা শুধুই সংখ্যা, লেখচিত্র, হিসাব নিকাশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। অর্থনৈতিক জ্ঞান কাজে লাগিয়ে কিভাবে মানুষের জীবন-যাপনকে আরো উন্নত করা যায়, শিক্ষার্থীরা সেটাই অনুধাবন করতে পারে। অর্থনীতি হলো ভিত্তি, আর বিপণন, ব্যবস্থাপনা, আর্থিক সংস্থানের মতো বিষয়গুলো হলো এর শাখা প্রশাখা। অর্থনীতি ঠিকঠাক বুঝতে পারলে এসব বিষয় সহজে বোঝা যায়।

 

একটি দেশের অর্থনীতি কিভাবে কাজ করে ও করা উচিত, অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা করে আমাদের দেশে অর্থনৈতিক খাতে কি ধরনের পরিবর্তন আনা যায়, স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠানগুলো দক্ষতার সঙ্গে কিভাবে পরিচালনা করা যায়, কিভাবে কম খরচে বেশি মুনাফা লাভ করা যায়- এ সম্পর্কে অর্থনীতির শিক্ষার্থীরা সম্যক জ্ঞান লাভ করে থাকেন। এছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে সীমিত উৎস দিয়ে নিজেদের ঘরোয়া বাজেট, খরচ ও আয়কে কিভাবে আরো উন্নত করা যায়, তা-ও জানা যায় অর্থনীতি পড়ে।

 

অর্থনীতি বিষয়টিতে সামষ্টিক ও ক্ষুদ্র অর্থনীতি, গণিত, পরিসংখ্যান, ব্যাংকিং, ফিন্যান্স ও অর্থনীতির সংশ্লিষ্ট কতকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পড়ানো হয়। এছাড়াও উন্নয়ন অর্থনীতি, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ ইত্যাদি বিষয় পড়ানো হয়।

একটি দেশের সামগ্রিক অর্থ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব অর্থনীতিবিদদের। তাছাড়া বর্তমানে অর্থ সংশ্লিষ্ট কাজে দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্র বৃদ্ধি পাওয়ায় এই বিভাগের চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থনীতি ছাড়া সবকিছুই অর্থহীন। একুশ শতকের বিশ^ অর্থনৈতিক উন্নতির পেছনে অর্থনীতিবিদদের বিভিন্ন গবেষণাই মূল ভিত্তি।

আমাদের চারপাশের সীমিত সম্পদ কিভাবে সর্বোচ্চ ব্যবহার করা যায়, অর্থনীতি তা নিয়েই আলোচনা করে। অর্থনীতিকে বলা হয় রয়্যাল সাবজেক্ট। বর্তমান পৃথিবী যদি কোনো ধাঁধা হয়, তবে উত্তর হলো অর্থনীতি। সময়ের সাথে সাথে বিষয় হিসেবে অর্থনীতির আবেদন বাড়ছে। আসলে অর্থনীতিতে সমাজবিজ্ঞান আর বিজ্ঞানের সংমিশ্রণ ঘটেছে। আর ব্যবসায় প্রশাসন তো খোদ অর্থনীতির কোলেই বেড়ে উঠেছে। অর্থনীতি এমন এক বিজ্ঞান, যার গবেষণাগার গোটা পৃথিবী। অর্থনীতির গেম থিওরি এতোটাই মূল্যবান এবং গুরুত্বপূর্ণ তত্ত্ব যে, এটা নিয়ে মনোবিজ্ঞান থেকে শুরু করে হালের কমপিউটার সায়েন্সের বিজ্ঞানীরাও নিজেদের ক্ষেত্রে এটাকে কাজে লাগাচ্ছেন। এখানেই অর্থনীতির শ্রেষ্ঠত্ব।

অর্থনীতি বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করলে চাকরির বাজারেও বিশেষ গুরুত্ব পাওয়া যায়। সবচেয়ে বড়ো ব্যাপার হলো, এই বিভাগে পড়ে ঠিক কত ধরনের ক্যারিয়ার গঠন করা যায় তার হিসাব কষা মুসকিল।

 

অর্থনীতিতে পড়ে প্রতি বছর একটা বড় সংখ্যার শিক্ষার্থী স্কুল, কলেজ বিশ^বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। প্রতিবার বিসিএস পরীক্ষার কঠিন ধাপগুলো সফলভাবে পার হয়ে বিভিন্ন ক্যাডারে চাকরি পাওয়াদের একটা বড়ো অংশ আসে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে। ব্যাংকসহ অন্যান্য সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ পাওয়ার সুযোগও থাকে পত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশন, বিজ্ঞাপনী সংস্থা বা বিপণন প্রতিষ্ঠানেও রয়েছে অর্থনীতিতে পড়া স্নাতকদের আলাদা কদর। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, এডিবিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এদেশীয় শাখা থেকে শুরু করে যেকোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে অর্থনীতিকে খুবই গুরুত্ব দেয়া হয়।

Business Administration (MBA)

ব্যবসায়িক সম্পর্ক কিভাবে আরও উন্নত করা যায়, কেমন করে ব্যবসা পরিচালিত হয়, কিভাবে একটি নতুন ব্যবসা শুরু করা যায় ইত্যাদি বিষয় থেকে শুরু করে কর্পোরেট জগতের খুটিনাটি বিষয়াদি জানার জন্যেই বিজনেস ম্যানেজমেন্ট। ব্যবসায় শিক্ষার বিভিন্ন বিভাগ যেমন বিপণন, হিসাব রক্ষণ, অর্থনীতি, মূদ্রস্ফীতি, বিনিয়োগের আর্থিক সংস্থান, সাপ্লাই চেইন, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে একজন শিক্ষার্থীর স্পষ্ট ধারণা জন্মায়। অংশীদারদের সঙ্গে কিভাবে কাজ করতে হয়, সাপ্লাই চেইনের মাধ্যমে কিভাবে পণ্য সরবরাহ করা হয়, বিজনেস ম্যানেজমেন্টের একজন শিক্ষার্থীকে এসবই জানতে হয়।

 মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ)

(বছর মেয়াদী)

১. যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ সহ ¯œাতক পর্যায়ে জিপিএ ন্যূনতম ২.০০ থাকতে হবে।

২. ডিপ্লোমা পর্যায়ের যেকোনো শিক্ষাক্রম থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও এসএসসি ও ডিপ্লোমা উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে কমপক্ষে ২.৫০ জিপিএসহ  ¯œাতক পর্যায়ে জিপিএ ন্যূনতম ২.০০ থাকতে হবে।

৩. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩টি পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৭.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এমবিএ)

(বছর মেয়াদী) (বিবিএ হোল্ডার)

১. যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ সহ স্বীকৃত যেকোনো বিশ^বিদ্যালয় বা সমমানের প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যাচেলর অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (বিবিএ) প্রোগ্রামে ন্যূনতম ২.০০ জিপিএ থাকতে হবে।

২. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩টি পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৭.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

এক্সিকিউটিভ মাস্টার অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ইএমবিএ)

(১৮ মাস মেয়াদী)

১. যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ সহ ¯œাতক পর্যায়ে জিপিএ ন্যূনতম ২.০০ থাকতে হবে।

২. ডিপ্লোমা পর্যায়ের যেকোনো শিক্ষাক্রম থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও এসএসসি ও ডিপ্লোমা উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে কমপক্ষে ২.৫০ জিপিএসহ  ¯œাতক পর্যায়ে জিপিএ ন্যূনতম ২.০০ থাকতে হবে।

৩. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩টি পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৭.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

৪. সরকারি বা বেসরকারি যেকোনো ধরনের প্রতিষ্ঠানে কমপক্ষে ৫ বছরের কর্মঅভিজ্ঞতা থাকতে হবে। যেকোনো ধরনের উদ্যোক্তাগণও ৫ বছরের কর্মঅভিজ্ঞতা থাকা সাপেক্ষে ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

কোটবাড়ি, কুমিল্লায় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের বিশাল পরিসরের স্থায়ী ক্যাম্পাস রয়েছে। ক্রেডিট ট্রান্সফার, স্কলারশীপ, বেতন মওকুফ, মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, মেধাবী ইত্যাদির জন্য আর্থিক সুবিধা রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত বিনা পয়সায় যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।

মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রেডিট ট্রান্সফার বিষয়ক চুক্তি রয়েছে।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলো বর্তমানে তথ্য ও উপাত্তভিত্তিক বিষয়ে কাজ করছে। বিজনেস ম্যানমেন্টে বিশেষ কওে বিপণন বিভাগে তথ্য ও উপাত্তকেন্দ্রিক বিষয়গুলো নিয়েই প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। যেমন আর্থিক উপাত্তগুলো বর্ণনা করা এবং তা থেকে কিভাবে কার্যকর সিদ্ধান্ত নেয়া যায়। যেকোনো ধরনের প্রতিষ্ঠান এমন কর্মীই নির্বাচন করতে চায়, যেনো তারা নির্দিষ্ট কাজের বাইরেও সম্পূর্ণ ব্যবসা কিভাবে পরিচালনা করলে ফলপ্রসু হবে, ষ্পষ্ট ধারণা রাখেন। বিজনেস ম্যানেজমেন্টে কৃত্তিম বৃদ্ধিমত্তা নিয়ে কিভাবে কাজ করা যায় এবং বিশ্লেষণ করতে হয়, তা শেখানো হয়, যা বর্তমান চাকরির বাজারে বেশ চাহিদাসম্পন্ন একটি বিষয়। চাকরি করা ছাড়াও নিজের ব্যবসা শুরু করা বা উদ্যোক্তা হিসেবেও কাজ করা যায়। সেক্ষেত্রে নিজের জ্ঞান দিয়ে নিজেই নিজের ব্যবসায়ের লাভ ক্ষতি, মানবসম্পদ কাজে লাগানো, আর্থিক সংস্থানের বিষয়গুলো দক্ষতার সাথে পরিচালনা করা যায়। চাকরির ক্ষেত্রে আর্থিক ও অনার্থিক ক্ষেত্রে জাতীয় এবং বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর বিভিন্ন বিভাগে কাজ করা সম্ভব।

যেকোনো শাখার শিক্ষার্থীরাই বিজনেস ম্যানেজমেন্ট পড়তে পারেন। তবে বর্তমানের পারিপাশির্^ক অবস্থা বিবেচনায় চাকরিপ্রার্থীর চেয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার মানষিকতা যাদের রয়েছে, তারাই বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শিক্ষায় এগিয়ে আসতে পারেন। এছাড়াও যারা চাকরি বা কাজের ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ বা ঝুঁকি নেয়ায় আগ্রহী এবং সৃজনশীল কাজে এগিয়ে আসতে চান, তারাও বিজনেস ম্যানেজমেন্ট বিষয়টি বিবেচনায় আনতে পারেন।

কাজের পরিসর

যেহেতু সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শিক্ষার পরিসর বাড়ছে, তাই এর অনেক শাখা বের হয়েছে। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

  • একাউন্টিং
  • ফিন্যান্স
  • ব্যাংকিং
  • মার্কেটিং
  • হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট (এইচআরএম)
  • সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট
  • অপারেশন ম্যানেজমেন্ট
  • ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম (এমআইএস)
  • ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস
  • ই-বিজনেস
  • এন্ট্রিপ্রিনিউরশীপ ইত্যাদি

বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শিক্ষার্থীদের কাজের ক্ষেত্রের যে কোনো কমতি হবে না, তা বলা বাহুল্য। তবে কোন ধরনের কাজের নিজের আগ্রহ রয়েছে, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এগুতে হবে। আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বিলাসবহুল বা অভিজাত পণ্য ও সেবা ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো ছাড়াও বিভিন্ন এনজিও বা কৃষি এবং কৃষিভিত্তিক বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কাজ করা সম্ভব। সেক্ষেত্রে মাঠ পর্যায়ের কাজ বা বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করাও একজন বিজনেস ম্যানেজমেন্ট শিক্ষার্থীর জন্য সহজ।

 

কাজের ক্ষেত্র

বিজনেস ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করার পর আপনাকে ২/১ বছর কষ্ট করতে হতে পারে, কারণ যেকোনো ভালো চাকরির জন্য প্রয়োজন বাস্তব অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতাটুকু হয়ে গেয়ে আপনার উন্নতি কেউ ধরে রাখতে পারবে না। বিজনেস ম্যানেজমেন্ট গ্র্যাজুয়েটদের কাজের উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রগুলো হলো-

 

১. সরকারি-আধাসরকারি-স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।

২.  বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বীমা ইত্যাদি)

৩.  বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান।

৪.  সরকারি ও বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

৫. ঔষধ শিল্প

৬. টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানী

৭.  বিভিন্ন সেবামূলক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি।

Law
(LLM)

নামের আগে বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, অধ্যাপক (আইন), ব্যারিস্টার, অ্যাডভোকেট পদবীগুলো দেখতে কার না ভালো লাগে। পদবীগুলো যতোটা আকর্ষণীয়, এগুলো অর্জন করা ততোটা সাধনার ব্যাপার। বর্তমান তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রমের র্শীষে উঠে এসেছে আইন বিষয়ে পড়ালেখা। যেকোনো ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীর আইন বিষয়ে পড়ার সুযোগ রয়েছে।

মাস্টার অব ল (এলএলএম)

(বছর মেয়াদী)

১. যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ সহ ¯œাতক পর্যায়ে জিপিএ ন্যূনতম ২.০০ থাকতে হবে।

২. ডিপ্লোমা পর্যায়ের যেকোনো শিক্ষাক্রম থেকে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। এক্ষেত্রেও এসএসসি ও ডিপ্লোমা উভয় পরীক্ষার প্রতিটিতে কমপক্ষে ২.৫০ জিপিএসহ  ¯œাতক পর্যায়ে জিপিএ ন্যূনতম ২.০০ থাকতে হবে।

৩. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩টি পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৭.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

মাস্টার অব ল (এলএলএম)

(বছর মেয়াদী) (এলএলবি হোল্ডার)

৩. যেকোনো বিভাগ থেকে এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমানের পাবলিক পরীক্ষার প্রতিটি পর্যায়ে অবশ্যই ন্যূনতম দ্বিতীয় বিভাগ অথবা জিপিএ ২.৫০ সহ স্বীকৃত যেকোনো বিশ^বিদ্যালয় বা সমমানের প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যাচেলর অব ল (এলএলবি) প্রোগ্রামে ন্যূনতম ২.০০ জিপিএ থাকতে হবে।

৪. মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৩টি পরীক্ষায় মোট জিপিএ কমপক্ষে ৭.০০ থাকলেও ভর্তির আবেদন করতে পারবে।

কোটবাড়ি, কুমিল্লায় সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ের বিশাল পরিসরের স্থায়ী ক্যাম্পাস রয়েছে। ক্রেডিট ট্রান্সফার, স্কলারশীপ, বেতন মওকুফ, মুক্তিযোদ্ধার পোষ্য, অনগ্রসর জনগোষ্ঠী, মেধাবী ইত্যাদির জন্য আর্থিক সুবিধা রয়েছে। শহরের কেন্দ্রস্থল থেকে ক্যাম্পাস পর্যন্ত বিনা পয়সায় যাতায়াতের সুবিধা রয়েছে।

মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা এবং চীনের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ক্রেডিট ট্রান্সফার বিষয়ক চুক্তি রয়েছে।

পড়াশোনা শেষে আইন পেশায় নিয়োজিত হওয়ার জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট সনদ পরীক্ষায় পাশ করতে হয়।

  • কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে (যেখানে যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আইন বিষয়ে পড়ানোর অনুমতি রয়েছে) কমপক্ষে ৪ বছর মেয়াদী স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করতে হবে।
  • বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে।
  • বার কাউন্সিলের সদস্যপদ লাভের মাধ্যমেই দেশের একজন আইনজীবির মর্যাদা লাভ করবে।

বলাই বাহুল্য, আইন পেশায় যুক্ত হয়েছে নতুন নতুন মাত্রা ও সম্ভাবনা। বিসিএস ও অন্য যেকোনো ক্যাডারের চাকরি, ব্যাংক, স্বায়ত্বশাসিত ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে আইনের ছাত্রদেরও অন্য ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের মতো সমান সুযোগ রয়েছে। তবে বিশেষ কিছু পেশা রয়েছে, যেখানে শুধু আইনের ছাত্ররাই কাজ করতে পারবেন, অন্যরা নয়। আইনজীবি হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ ছাড়াও বিভিন্ন সরকারি- আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা, মানবাধিকার সংস্থা, বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, বহুজাতিক কোম্পানী ও এনজিওতে আইন কর্মকর্তা বা প্যানেল আইনজীবি হিসেবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আদালতে যোগ দেয়ার সুযোগ যেমন রয়েছে, তেমনি সরকারি বেসরকারি বিশ^বিদ্যালয়, আইন কলেজ ইত্যাদিতে শিক্ষকতার সুযোগ রয়েছে।

 

আইন বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করার পর আপনাকে ২/১ বছর কষ্ট করতে হতে পারে, কারণ যেকোনো ভালো চাকরির জন্য প্রয়োজন বাস্তব অভিজ্ঞতা। অভিজ্ঞতাটুকু হয়ে গেয়ে আপনার উন্নতি কেউ ধরে রাখতে পারবে না। আইন বিষয়ে গ্র্যাজুয়েটদের কাজের উল্লেখযোগ্য ক্ষেত্রগুলো হলো-

 

১.            আদালতে সুষ্ঠু বিচারকাজে সহযোগিতা করা।

২.           সরকারি-আধাসরকারি-স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে আইন কর্মকর্তা/প্যানেল আইনজীবি।

৩.          বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বীমা ইত্যাদি)

৪.           বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠান।

৫.           সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন আইন কলেজে।

৬.          বহুজাতিক কোম্পানী

৭.           আন্তর্জাতিক সংস্থা, মানবাধিকার সংস্থা

৮.          বিভিন্ন দেশের দূতাবাসসমূহ ইত্যাদি।

 

বাংলাদেশে তেমন প্রচলন না থাকলেও সাইবার ক্রাইম, ইমিগ্রেশন, স্পোর্টস ও মিডিয়া আইনজীবি হলে দেশের গন্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও কাজের অবারিত সুযোগ রয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের ফলে সাইবার বিষয়ে নানাধরনের আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। আর মিডিয়া, মিডিয়াকর্মী বা সেলিব্রেটিদের বিভিন্ন আইনি জটিলতার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞদের কদর বাংলাদেশেও তৈরি হচ্ছে।